করোনা ভাইরাস কি? করোনা ভাইরাসের লক্ষন গুলা কি?এর প্রতিরোধ ও প্রতিকার উপায় কি?

করোনা ভাইরাস কি? করোনা ভাইরাসের লক্ষন গুলা কি?এর প্রতিরোধ ও প্রতিকার  উপায় কি?

করোনা ভাইরাস কি?

২০১৯-এনকোভি - যা ‘‘নভেল করোনা ভাইরাস’’ নামে পরিচিত - সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে আপনি এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন।

২০১৯-এনকোভি - যা ‘‘নভেল করোনা ভাইরাস’’ নামে পরিচিত - সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে।


করোনা ভাইরাস কি ? করোনা ভাইরাসের কারন,লক্ষণ ও প্রতিকারের উপায় | Coronavirus Symptoms & Explained This Videos:-


কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস?

শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে । কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অর্গান বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বয়স্ক ও আগে থেকে অসুস্থ ব্যক্তিদের মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

করোনা ভাইরাস উৎপত্তি কোথা থেকে?


ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে উহানের বাস, পাতাল রেল ও ফেরি পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া উহান থেকে বিদেশগামী বিমান ও ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে।


এতকিছুর পরও (করোনা ভাইরাস) চীনের পাশাপাশি জাপান, থাইল্যান্ড, হংকং, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত ছড়িয়েছে।

ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে উহানের বাস, পাতাল রেল ও ফেরি পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া উহান থেকে বিদেশগামী বিমান ও ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যেও ১৪ জনকে আক্রান্ত সন্দেহে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। যদিও বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এখনই বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে।


ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বৈশ্বিক বাজারে ভ্রমণ ও বাণিজ্যিকভাবে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও পতন দেখা দিয়েছে।



করোনা থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক পরা উচিত?

করোনা থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক পরা উচিত

"করোনা ভাইরাস" সহ অন্যান্য রোগের বিস্তার সীমিত পর্যায়ে রাখতে মেডিক্যল মাস্ক সাহায্য করে। তবে এটার ব্যবহারই এককভাবে সংক্রমণ হ্রাস করতে যথেষ্ঠ নয়। নিয়মিত হাত ধোয়া এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে মেলামেশা না করা এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর সর্বোত্তম উপায়।


করোনায় শিশুরা কি ঝুঁকিতে?


যে কোন বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধানত: আগে থেকে অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে।


তবে শহরাঞ্চলের দরিদ্র শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। এসব প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা, যা সম্প্রতি মঙ্গোলিয়ায় দেখা গেছে।



করোনা ভাইরাস কিভাবে সংক্রমন হয়।



একটি ভাইরাস- যা পূর্বে বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল- এর মধ্যেই চীনে অনেক মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বের নানা দেশে এটি ছড়িয়ে পড়ছে।


ভাইরাসটি রোগীদের শরীরে নিউমোনিয়া তৈরি করছে, এমন একটি ভাইরাস সবসময়েই উদ্বেগজনক। ফলে সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা চরম সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।


কিন্তু এটা কি আজকালের একটি প্রাদুর্ভাব নাকি আরো বিপজ্জনক কোন রোগের লক্ষণ?



চীনের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, করোনা ভাইরাসের কারণে সেখানে অসুস্থতা বা মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে।


(করোনা ভাইরাস) এমন একটি "সংক্রামক ভাইরাস" - যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।


ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ - এনসিওভি বা ‘‘নভেল করোনা ভাইরসা’’। এটি এক ধরণের করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।


২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনা ভাইরাস


''সার্সের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এখনো আমরা ভুলতে পারিনি, ফলে নতুন ভাইরাসের প্রচণ্ড ভীতির তৈরি হয়েছে। কিন্তু এ ধরণের রোগ মোকাবেলায় আমরা এখন অনেক বেশি প্রস্তুত,'' বলছেন ওয়েলকাম ট্রাস্টের চিকিৎসক জোসি গোল্ডিং।


এই সেই গুরু যে সর্ব প্রথম করোনা ভাইরাস জানতে পারে সে আজ বেঁচে নাই।



ই সেই গুরু যে সর্ব প্রথম করোনা ভাইরাস জানতে পারে সে আজ বেঁচে নাই।

ফেসবুক থেকে সংগ্রিত.

করোনা ভাইরাস রোগের লক্ষনগুলো কী কী?:-



করোনা ভাইরাস লক্ষন:- এই ভাইরাসটি কোন একটা প্রাণী থেকে মানুষের দেহে ঢুকেছে এবং একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়াতে ছড়াতে আবার নিজের জিনগত গঠনে পরিবর্তন আনছে। কিন্তু এ ভাইরাসটির প্রকৃতি এবং কিভাবে তা রোধ করা যেতে পারে এ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা বিশদভাবে জানার চেষ্টা করছেন।



মনে করা হচ্ছে সার্স বা ইবোলার মতো প্রাণঘাতী ভাইরাসের মতোই করোনা ভাইরাস। তবে এটি নাকি সার্স বা ইবোলার চেয়েও অনেক বেশি বিপদজনক।



বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা ভাইরাসটি মানুষের দেহকোষের ভেতরে ইতিমধ্যেই 'মিউটেট করছে' অর্থাৎ গঠন পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিচ্ছে এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করছে। যার ফলে এটি বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।



করোনা ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। করোনা ভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে। এর মধ্যে মাত্র ৭টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে।





যেভাবে ছড়ায়:-



বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এ ভাইরাসটি একজন মানুষের দেহ থেকে আরেকজন মানুষের দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে।



করোনা ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমেই এটি একজনের দেহ থেকে আরেকজনের

দেহে ছড়ায়। সাধারণত ফ্লু বা ঠাণ্ডা লাগার মতো করেই এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে।



লক্ষণ:-

  • করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হলো শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
  • এর সঙ্গে সঙ্গে থাকে জ্বর এবং কাশি।
  • অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া।
  • হতে পারে নিউমোনিয়া।




বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় পাঁচ দিন লাগে। প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তার পর দেখা দেয় শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট।

রেসপিরেটরি লক্ষ্মণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষ্মণ।



করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের  উপায়?


যেহেতু এই ভাইরাসটি নতুন, তাই এর কোন টিকা বা ভ্যাকসিন এখনো নেই এবং এমন কোন চিকিৎসা নেই যা এ রোগ ঠেকাতে পারে।



  1. আমাদের মধ্যে আতঙ্ক নয়, সাবধানতা জরুরি।
  2. প্রত্যেকে সাবান পানি দিয়ে বারবার হাত পরিষ্কার করুন।
  3. হাত মুখে ,চোখে , নাকে লাগাবেন না।
  4. হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন ।
  5. অধিক মানুষ আছে এমন স্থান পরিহার করুন।
  6. মাস্ক ব্যবহার করুন। 
যদিও এই ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য মাস্ক ব্যবহার করলে খুব বেশি ফায়দা হয় না , যতটা কার্যকর হয় সাবান পানিতে ভালোভাবে ও সঠিক পদ্ধতিতে হাত ধৌত করলে। তবুও  এই সুযোগে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের লোভী ও অসাধু ব্যবসায়ীরা মাস্ক এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।


  • পরিচিত-অপরিচিত সকলের ক্ষেত্রে হ্যান্ডশেক ও কোলাকুলি পরিহার করুন।
  • হাঁচি কাশি ও জ্বরের আক্রান্ত এমন লোকদের থেকে এক মিটার অথবা তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলুন।
  • আল্লাহর কাছে সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করুন ।




এই ভয়াবহ মরনব্যাধি "করোনা ভাইরাস" নামক সংক্রামন রোগ থেকে রক্ষা একমাত্র আল্লাহ করতে পারে।



দোয়াটি প্রতিদিন পাঁচ-ওয়াক্ত নামাজ শেষে পরুন। আল্লাহ রহমতে করোনা ভাইরাস আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ।

اللَّهمَّ إِنِّي أَعُوُذُ بِكَ مِنَ الْبرَصِ، وَالجُنُونِ، والجُذَامِ، وسّيءِ الأَسْقامِ.

বাংলা উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’য়ুজুবিকা মিনাল বারাছ, ওয়াল জুনুন, ওয়াল জুযাম, ওয়া সায়্যিইল আসক্বাম। (আবু দাউদ)

বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট ধবল, কুষ্ঠ এবং উন্মাদনা সহ সব ধরনের কঠিন দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে পানাহ চাই। [সুনান আবু দাউদ]


দোয়াটি প্রতিদিন পাঁচ-ওয়াক্ত নামাজ শেষে পরুন। আল্লাহ রহমতে করোনা ভাইরাস আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ।


সুএপাতঃ-উনিসেফ।



এই রোগ থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।



☎️ করোনা ভাইরাস হটলাইন নম্বর ☎️



• নিজের অথবা পরিবারের কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন দেখা দিলে" ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলোজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ" আইইডিসিআরে যোগাযোগ করুন নিচের নম্বর গুলোর মাধ্যমে, 👇


📍 IEEDCR Hotline 📍

📞 +8801937000011

📞 +8801937110011

📞 +8801927711784

📞 +8801927711785

🚫 পোষ্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা যতো দ্রুত সম্ভব ব্যাপক ছড়িয়ে যাওয়া প্রয়োজন। তাই কপি / শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে ভূলবেন না। 💯

Guys, If You Need Font Copy And Paste For Instagram ,Twitter ,Fb Like Other Social Media So Click Here this Link

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and conditions Use

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and conditions Use

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post